যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

হাশরের ময়দানে মানুষ তিনটি অবস্থায় উত্থিত হবে। ১. একদল বাহনে করে, ২. একদল পদব্রজে, ৩. একদল মাথায় হেঁটে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘অবশ্যই মানুষ তিনটি দলে

বরকত লাভের ১০ উপায়

বরকত শব্দটি আমাদের খুবই পরিচিত। বরকত বলা হয় আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে অল্পতে অধিক হওয়া। ঘরে-বাইরে, কাজেকর্মে এমনকি জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের কামনা থাকে এই বরকত।

স্ত্রী’র পা’য়েই লু’কিয়ে আছে স্বামীর সৌ’ভাগ্যের চা’বিকাঠি!

সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে। এই কথাটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত। অন্যদিকে প্রচলিত আছে একটি কথা, স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত কিন্তু এই কথার সঙে

আল্লাহ ও রাসুলের কথা শুনে সপরিবারে ইসলাম গ্রহন, দোয়া চাইলেন সকলের

ওয়াজ-মাহফিলে আল্লাহ ও তার রাসুলের কথা শুনে আকৃষ্ট হয়ে সপরিবারে ইসলাম ধ’র্ম গ্রহণ করেছেন পটুয়াখালীর সনাতন ধ’র্মাবলম্বী এক পরিবার। রবিবার দুপুরে পটুয়াখালীর ম্যাজিস্ট্রেট মোহা’ম্ম’দ শিহাব

মসজিদ-ই-নববীর অজানা তথ্য

যা আছে মসজিদ-ই-নববীর প্রাঙ্গণে মসজিদ-ই-নববীর পশ্চিম দিকের প্রাচীর ঘেঁষে ‘জান্নাতুল বাকি’ কবরস্থান। এখানে মহানবী (সা.)-এর স্ত্রী, কন্যা, একাধিক আত্মীয় ও সাহাবির কবর রয়েছে। এ ছাড়া

যে ৫ নীতিবাক্য মুসলিম শিশুদের শেখানো জরুরি

মুসলিম শিশুরা ইসলামী আদর্শ ও ধর্মীয় চেতনা ধারণ করে বড় হবে এটাই স্বাভাবিক। ধর্মীয় মূল্যবোধের এই বীজ তার হৃদয়পটে গেঁথে দিতে হবে শিশুকালেই। এখানে সর্বাধিক

রাসুল (সা.) যেভাবে কথা বলতেন

কথাবার্তা দিয়ে একজন মানুষের ভালো-মন্দ যাচাই করা যায়। এরই মধ্যে ফুটে ওঠে তার ব্যক্তিত্ব ও স্বভাব। এই কথা মানুষকে যেমন জান্নাতে পৌঁছাতে সাহায্য করে, অনুরূপ

জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইনভিত্তিক কোরআন শিক্ষা

কোরআন এসেছে বিশ্ব মানবতার হিদায়াতের উদ্দেশ্যে। কোরআন মুসলমানের জীবন-সংবিধান। কোরআন তিলাওয়াত, অর্থ অনুধাবন ও পাঠদান সবই ইবাদত। কিন্তু ধীরে ধীরে কোরআন শেখার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।

বাচ্চাদের কাঁধে নিয়ে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে কিছু দায়িত্ব দিয়ে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। দুনিয়ার জীবনে আমাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রত্যেকের সঙ্গে দুজন ফেরেশতা নিয়োজিত করেছেন। তাঁরা আমাদের

মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা সুন্নত

মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটার নির্দেশ দিয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত,

1 2 3 7